চোখের ছানিঃ কারণ ও প্রতিকার

মঙ্গলবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ | 1218 বার

চোখের ছানিঃ কারণ ও প্রতিকার

চোখের ছানিঃ
চোখের ভেতর অবস্থিত স্বচ্ছ লেন্স বা লেন্সের আবরন খোলা হয়ে যাওয়াকে ছানি বলে।

চিনবার উপায়ঃ
চোখের কালোমনি বা কর্নিয়ার ভেতর দিয়ে তাকালে চোখের একটা ছিদ্র রয়েছে যা আলো পড়লে ছোট বা বড় হয়, যাকে বলা হয় পিউপিল। সেই ছিদ্রের বা পিউপিলের ভেতর দিয়ে সাদা প্রতিচ্ছায়া দেখা যাবে।

ছানি রোগ হওয়ার কারনঃ
আমাদের বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজারে ৫-৬ জন জন্মগত ছানি নিয়ে জন্মলাভ করে। এছাড়া আঘাতজনিত কারনে, বায়োবৃদ্ধিজনিত কারনে, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে, পুষ্টিহীনতার কারনে, রেডিয়েশন এর প্রভাবে, চোখের বিভিন্ন রোগের প্রতিক্রিয়ায় যেমন চোখের প্রেসার বৃদ্ধিজনিত (গ্লুকোজ) রোগের কারনে, ডায়াবেটিকস রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে, কর্নিয়াল আলসার বা ঘা এর কারনে, দৃষ্টিস্বল্পতা বা মাইওপিয়া এর কারনে, রেটিনার বা পর্দার রোগ যেমন রেটিনাইসিস পিগমেনটোসা, রেটিনাল ডিটাগমেন্ট এর কারনে, ইউভিআইটিস ইত্যাদি রোগের কারনে হয়ে থাকে।

বচ্চাদের চোখে ছানি হওয়ার কারনঃ
জন্মগত ছানি সাধারণত মায়ের গর্ভকালীন রুবেলা ভাইরাস জ্বরে মা আক্রান্ত হলে, গর্ভকালীন মায়ের পুষ্টিহীনতা, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার, রেডিয়েশন এর প্রভাবে জন্মগত ছানি হতে পারে।

ছানি রোগের চিকিৎসাঃ
জন্মগত ছানির একমাত্র চিকিৎসা দ্রুত অপারেশন করে নেওয়া। যদি ২ বছরের নীচে বয়স হয় তাহলে ছানির অপারেশন এর পর চশমা ব্যবহার করতেই হবে এবং ২ বছরের ঊর্ধের বাচ্চাদের ছানি অপারেশন করে লেন্স সংযোজন করা হয়। এতে কোন প্রকার ভয়ের কারন নেই।

দেশে ছানি রোগের যেখানে যেখানে চিকিৎসা হয়ঃ
জন্মগত ছানির অপারেশন দেশের বড় বড় হাসপাতালে হঢে থাকে। উপজেলা, জেলা, মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে আধুনিক ফ্যাকে সার্জারির মাধ্যমে এই রোগীর লেন্স সংযোজন হয়ে থাকে।

লেখক- বিভাগীয় প্রধান, শিশু চক্ষু বিভাগ
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments

কৃষি মন্ত্রনালয়ে ১১-২০তম গ্রেডে বিভিন্ন পদে নিয়োগ
শম্ভুগঞ্জ এর মোমেনশাহী এটিআই এ প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ১০৮১ জন নিয়োগ
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com