মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. মহসীন

ড্রাম সিডার প্রযুক্তি ব্যবহারে অর্থ, সময় ও শ্রম সাশ্রয়ী হয়

শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮ | ১১:৫১ অপরাহ্ণ | 997 বার

ড্রাম সিডার প্রযুক্তি ব্যবহারে অর্থ, সময় ও শ্রম সাশ্রয়ী হয়

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. মহসীন বলেছেন, ড্রাম সিডার প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কৃষকের অর্থ, সময় ও শ্রম সাশ্রয়ী হবে এবং ফলনও প্রতি একরে ১০-১৫% বেশি পাওয়া যাবে। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে জমিতে আগাছা তুলনামূলকভাবে কম হয় ও ফলনও ১০-১৫দিন আগে পাওয়া যায়।

শেরপুরের নকলা উপজেলার পশ্চিম টালকী এলাকায় শনিবার সকালে ব্রিধান-২৮ ও ৫৮ জাতের ড্রাম সিডারের মাধ্যম রোপনকৃত ধানতে পরিদদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মহাপরিচালক এসব আবাদ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, শেরপুরের নকলায় ড্রাম সিডারের মাধ্যমে যে আবাদ হয়েছ তা দেখে বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গাতেও কৃষকরা আগ্রহী হবে।

ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো: আসাদুল্লাহ জানান, নকলা উপজেলায় কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হয়ে এ বছর প্রায় ২৫ একর জমিতে ড্রাম সিডারের মাধ্যমে ধানের আবাদ করেছে।

এর আগে কৃষি সমম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে পশ্চিম টালকী সমবায় কৃষি সমিতির সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অতিরিক্ত পরিচালক প্রশাসন কৃষিবিদ আবুল হাসেম, ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো: আসাদুল্লাহ, বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের পিডি কৃষিবিদ মো: মেহেদী মাসুদ, খামারবাড়ী শেরপুরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো: আশরাফ উদ্দিন, হর্টিকালচার জামালপুরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো: ফকরুল আলম, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবীর, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আ: ওয়াদুদ, নালিাবাড়ীর সিনিয়র হর্টিকালচারিস্ট মো. শহিদুল্ললাহ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সারোয়ার জাহান শাওন, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, কৃষক মো: গাজীবুর রহমান, শাহাবুদ্দিন, মবকুল হোসেন ফটিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে মহাপরিচালকসহ অন্যান্য অতিথিরা উপজেলার উরফা ইউনিয়নের ইকোপার্ক গাছের চারা রোপন করেন এবং বিভিন্ন ভার্মি কম্পোস্ট পরিদর্শন করেন।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com