খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন

ধান ক্রয়ের লটারিতে ওঠা কৃষকের কার্ড বিক্রি হলেই ব্যবস্থা

রবিবার, ১০ মে ২০২০ | ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ | 221 বার

ধান ক্রয়ের লটারিতে ওঠা কৃষকের কার্ড বিক্রি হলেই ব্যবস্থা

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনতে হবে। ধান ক্রয়ে কোনো রকম রাজনৈতিক বা মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব যেন না পড়ে এ জন্য খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তিনি নির্দেশ দেন। এ ছাড়া লটারিতে যেসব কৃষকের নাম উঠবে সুযোগ নিয়ে তারা তাদের কার্ড মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন না। যদি বিক্রি করার প্রমাণ মিলে কৃষি কার্ড বাতিলসহ চিরদিনের জন্য তিনি সরকারি সবধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। এ ছাড়া যিনি কার্ড কিনবেন তিনিও মোবাইল কোর্টের আওতায় আসবেন।


গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নওগাঁ সদর উপজেলা খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো চাল সংগ্রহের উদ্বোধনে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী চাল কল মালিকদের উদ্দেশে বলেন, যেহেতু বোরো মৌসুমে চাল সরকার ক্রয় করছেন। সেহেতু পুরনো চাল পালিশ করে খাদ্যগুদামে প্রবেশের চেষ্টা করবেন না। যা কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। পোশাক কারখানার মালিকরা যেমন প্রণোদনা পাবেন, তেমনি চাল কল মালিকরা প্রণোদনা পাবেন কি না তা নিয়ে অর্থসচিবের সাথে আলোচনা হয়েছে।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা খাদ্যকর্মকর্তা জি এম ফারুক হোসেন পাটওয়ারী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাজের হাসান, সদর খাদ্যগুদাম ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম, জেলা চাল কল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পদাক ফরহাদ হোসেন চকদার, নওগাঁ চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক এম এ খালেক, ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রিজভীসহ অন্যরা।
উদ্বোধনী দিনে উপজেলার এমকে অটো রাইস মিলের মালিক খলিল উদ্দিন এক হাজার ৭৮৩ বস্তা এবং আলহেরা রাইস মিলের মালিক জাহিদ হোসেন ৬০০ বস্তা চাল গুদামে প্রবেশ করান।


সদর উপজেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বোরো ধান ২৬ টাকা কেজি দরে ২ হাজার ২০৩ টন, সিদ্ধ চাল ৩৬ টাকা কেজি দরে ১৬ হাজার ৭৯৮ টন, আতব চাল ৩৫ টাকা কেজি দরে ২ হাজার ১১ টন এবং ২৮ টাকা কেজি দরে ১৫৫ চন গম সংগ্রহ করা হবে।
নওগাঁ জেলা খাদ্য কর্মকর্তা জিএম ফারুক হোসেন পাটওয়ারী বলেন, জেলায় সিদ্ধ চাল ৪৯ হাজার ২৬০ টন, আতব চাল ৬ হাজার ৫১ টন, ধান ২৩ হাজার ২৩২ টন এবং গম ৪ হাজার ৬৫১ টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় অ্যাপের মাধ্যমে ধান ক্রয় করা হবে। ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এ ছাড়া জেলার ৫৩টি অটো রাইস মিলের মধ্যে ৫১টি চুক্তি হয়েছে। আমাদের ধান কেনার সব প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। খাদ্য বিভাগের সব নির্দেশনা মেনে কাজ করা হবে।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com