মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা-প্রতি ইঞ্চি জায়গা পতিত না রেখে ফসল আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে

পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণে সজিনা চাষ

রবিবার, ২৪ মে ২০২০ | ১০:৩২ অপরাহ্ণ | 449 বার

পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণে সজিনা চাষ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা-প্রতি ইঞ্চি জায়গা পতিত না রেখে ফসল আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির আওতায় “”

#সজিনা একটি অতি পরিচিত, দামি এবং সুস্বাদু আদর্শ সবজি।

#ইংরেজি নাম: Drumstick.
#বৈজ্ঞানিক নাম: Moringa Oleifera

#এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত সজিনার ডাল বা কাটিং রোপণ করে আগামী দিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করতে পারেন।

#বসতবাড়ির আশেপাশে, পুকুর পাড়ে, রাস্তার ধারে, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আংগিনায়,ছাদের টবে/ড্রামে, পতিত জমিতে জন্য সজিনার কয়েকটি ডাল বা কাটিং এই সময়ে রোপণ করতে পারেন।

#পলিমাটি সজিনা চাষের জন্য সর্বোত্তম। এটি জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না।

#বিনাযত্নে সম্পূর্ণ লাভজনক সজনে চাষ, গরু-ছাগলের উপদ্রব ঠেকানো ছাড়া সার ও কীটনাশকের সাধারণত প্রয়োজন হয় না।

#বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টার থেকে সরকারি মূল্যে প্রতিটি চারা ১০/-টাকায় কিনে, অথবা বিশ্বস্ত নার্সারি, কৃষকের বাড়ি থেকে সজিনার কাটিং বা ডাল বা চারা সংগ্রহ করে লাগানোর ৬মাসের মধ্যে ডাটা ধরে।

#এক বিঘায় ৪০টি সজিনার গাছ লাগাতে পারেন,
পূর্ণ বয়স্ক একটি গাছে ১৫০০-১৬০০ সজিনার ডাটা পাওয়া যেতে পারে, সাধারণত ২০টি ডাটায় ১কেজি হিসেবে ১টি গাছ থেকে ২মন সজিনার ডাটা পাওয়া যেতে পারে।

#মৌসুমের শুরুতে ০১কেজি সজিনা ডাটার দাম ৪০/-টাকা হিসাবে ১টি গাছ থেকে ৩২০০/-টাকার সজিনা পাওয়া যেতে পারে।

#বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সজনে চাষ করলে ০১ বিঘা থেকে লক্ষাধিক টাকার সজিনা বিক্রয় করা যেতে পারে।

বানিজ্যিকভাবে সজিনার বীজ থেকে চারা তৈরি, কাটিং/ডাল সংগ্রহের সময় ও রোপণ পদ্ধতিঃ

#বীজ থেকে সজিনার চারা তৈরির ক্ষেত্রে গাছ থেকে পরিপক্ক সজিনা সংগ্রহ করে ডাটা থেকে সজিনার বীজ আলাদা করা হয়, হালকা রৌদ্রে শুকিয়ে বীজ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। বীজ সংগ্রহের উপযুক্ত সময় এপ্রিল থেকে জুন মাস।

#প্রতিটি লম্বা সজিনার ফলে ১০-১৫টি বীজ থাকে, কেজিতে ১২০০-২০০০টি সজিনার বীজ পাওয়া যাবে,

#জুন-জুলাই মাসে জমি উত্তমরুপে চাষ দিয়ে চারা বা কাটিং তৈরির জন্য পচা গোবর মিশিয়ে বীজতলা বা সিডবেড তৈরি করা হয়, সিডবেডের আকার জমির দৈর্ঘ্য অনুযায়ী লম্বা ও প্রস্থে ১মিটার বা সোয়া ২হাত।
তবে সিডবেডের চতুর্দিকে ১ ফুট থেকে ২০ ইঞ্চি আকারে ড্রেন রাখতে হবে।

#অতঃপর বীজ, সিডবেডে ৪-৬ ইঞ্চি দূরে দূরে লাইন করে বপন করতে হয়। ৫০-৬০ দিন বয়সের চারা মাঠে লাগানোর উপযুক্ত হয়। তবে বীজ থেকে তৈরি চারার ফল আসতে তিন-চার বছর সময় লাগে।

#সিডবেডে কাটিং দিলে ২সপ্তাহের মধ্যে কুশি গজায় এবং শতকরা ৯০টি নতুন চারা পাওয়া যেতে পারে,

#১বছর বয়সী সজিনার কাটিং বা চারা রোপণের জন্য উত্তম। কাটিং থেকে চারা তৈরি করাই উত্তম। এক্ষেত্রে অল্প যত্ন ও দ্রুত সজিনা পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে বয়স্ক গাছ থেকে প্রুনিং এর সময় যে ডাল কেটে ফেলা হয় তা থেকে রোগ ও পোকামাকড়মুক্ত সতেজ ও স্বাস্থ্যবান শক্ত ডাল ২.৫-৩ ফুট বা ৭৫-৯০ সেমি.লম্বা ও ৩-১৬ সেমি. ব্যাস বিশিষ্ট ডাল নির্বাচন করা উত্তম। প্রস্তুতকৃত কাটিং সরাসরি মূল জমিতে রোপণ করা হয়। কাটিং রোপণের জন্য উত্তম সময় এপ্রিল থেকে মে মাস।

#বয়সের চারা মাঠে লাগানোর উপযুক্ত হয়।
জমি ভালোভাবে চাষ করে ২০ ইঞ্চি-২.৫ ফুট × ২০ ইঞ্চি-২.৫ ফুট × ২০ ইঞ্চি-২.৫ ফুট আকারের গর্ত করতে হবে, কাটিং/ডাল গর্তে লাগানোর সময় প্রতিটি কাটিং এর তিন ভাগের এক ভাগ গর্তের মাটির নিচে রাখতে হবে।

#কাটিং লাগানোর সময় গর্তের মাটির সাথে ৩/৪ টি নিম পাতা এবং ১০ গ্রাম সেভিন ৮৫ ডব্লিউপি গর্তের মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে কাটিং লাগালে মাটিতে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম হয়।

#গর্তে কাটিং লাগানোর পর কাটিং এর মাথায় আলকাতরা দিয়ে দিতে হবে। এতে কাটিং এর মাথা শুকিয়ে যাবে না।

#সজিনার সার ব্যবস্থাপনা : প্রতি শতকের জন্য
পচা গোবর/কম্পোস্ট ৪০-৫০কেজি, টিএসপি ৫০ গ্রাম, ইউরিয়া ১০০ গ্রাম, এমওপি/পটাশ ১০০ গ্রাম, জিপসাম ১০ গ্রাম,দস্তা সার ১০ গ্রাম, বোরণ ১০ গ্রাম

সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ


সজিনার কলম চারা রোপণের জন্য ২০-৩০ দিন আগে প্রতি গর্তে উপরোক্ত সার মাটির সাথে মিশিয়ে ঢেকে রেখে দিতে হবে। এছাড়া রাসায়নিক সার না দিয়ে প্রতি গর্তে ৪০-৫০ কেজি পঁচা গোবর সার গর্তের মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে উক্ত গর্তে সাথে সাথে গাছ লাগানো যায়।

গাছ লাগানোর পর সার প্রয়োগঃ

প্রতি গাছের জন্য ৪০-৫০ কেজি পচা গোবর, ৫০০ গ্রাম করে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি. এবং জিপসাম, বোরাক্স ও জিঙ্ক সালফেট ৫০ গ্রাম করে সার দুপুর বেলায় সূর্যের আলো গাছের উপর পড়লে, গাছ যে পরিমাণ জায়গায় ছায়া প্রদান করে, সেই পরিমাণ জায়গায় গাছের চতুর্দিকের মাটি কোদাল দিয়ে ভালোভাবে কুপিয়ে সার মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।

#এরপর প্রতি বছরে প্রতি গাছের জন্য ৪০-৫০ কেজি পচা গোবর ঠিক রেখে ৫০০ গ্রাম করে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সার এবং জিপসাম, বোরাক্স ও জিঙ্ক সালফেট সার ২০ গ্রাম করে বর্ধিত হারে প্রয়োগ করতে হবে।

অন্যান্য পরিচর্যা:


*গাছের গোড়ায় সব সময় আগাছা মুক্ত রাখা দরকার। *গাছ লাগানোর সাথে সাথে খুঁটি দিয়ে (৪) চার এর মত ‘নট’ করে বেঁধে দিতে হবে।
*প্রয়োজনে জৈব-অজৈব বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।
*গাছের বয়স বাড়ার সাথে সাথে গাছের ভিতর মরা এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু ডালপালা ছেঁটে দিতে হবে।
*সজিনা/লাজিনা’র ক্ষেত্রে প্রথম বছরে মাটি থেকে ১ মি. দুরত্ব রেখে উপরের অংশ কেটে ফেলা হয়। এই গাছ থেকে ৪-৫ মাসে নতুন কুশি বের হয় এবং নতুন কুশি থেকে ফল দেয়া শুরু করে।
*তবে কুশির সংখ্যা বেশি হলে ভালো আলো-বাতাস পাওয়ার জন্য কিছু ডাল কেটে বা ভেঙ্গে পাতলা করে দেয়া উচিত। সাধারণত ৩ বার ডাল কেটে দেয়া হয়, যা ৯ মাস, ১৭ মাস ও ২৫ মাস পর্যন্ত বয়সে করা হয়।

***বসতবাড়িতে সজিনা গাছের ক্ষেত্রে তেমন কোন নিয়ম অনুসরণ করা হয় না।
এক্ষেত্রে প্রতি বছর সজিনা সংগ্রহের পর বিগত বছরে যে জায়গায় ডাল কাটা হয় তার পরে ৫০-৭৫ সেমি. রেখে ডাল কেটে দেওয়া হয়। প্রতি বছর ডাল কাটার পর কাটা অংশে আলকাতরা দেওয়া ভালো।

সজিনা সংগ্রহ ও ফলনঃ
*শাখা কলম হতে প্রাপ্ত গাছ ১ বছর পরেই সজিনা দেয়া শুরু করে। সজিনা যখন কচি অবস্থা থেকে কিছু শক্ত হতে শুরু করে। তখন থেকে সজিনা খাওয়ার জন্য সংগ্রহ করার উপযুক্ত হয়।
*প্রথম ২ বছর সাধারণত ফলন কিছুটা কম হয় (৮০-৯০ টি সজিনা/গাছ/বছর)। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে সজিনার পরিমাণও বাড়তে থাকে।
*একটি বয়স্ক গাছ (৪-৫ বছর) থেকে বছরে ৫০০-৬০০টি সজিনা পাওয়া যায়।
*সজিনা সাধারণত মার্চ-মে এর মধ্যে সংগ্রহ করা হয়। *কিন্তু লাজিনা সারা বছরই গাছে হয় সুতরাং সারা বছরই গাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়।
*লাজিনা এক বছরেই ফল দেয় এবং গাছ লাগানোর ৬ মাসের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা সম্ভব।
*সজিনা গাছ থেকে ২-৩ মাস পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায় এবং প্রজাতিভেদে প্রত্যেক গাছে ২৫০-৪০০ টি সজিনা পাওয়া যায়।

সজিনার পুষ্টি উপকারিতা :
# সজিনা পাতায় ৮রকমের অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিডসহ ৩৮% আমিষ আছে, তাই পুষ্টি বিজ্ঞানীরা সজিনাকে ‘অত্যাশ্চর্য বৃক্ষ/পুষ্টির ডিনামাইট’ বলে আখ্যায়িত করেন।

#বারটান (BIRTAN) এর তথ্যসূত্র মতে,
পুষ্টিগুণ খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে
৪৩ কিলোক্যালরী খাদ্যশক্তি, ৮৫.২ গ্রাম পানি,
২.৯ গ্রাম আমিষ, ০.২ গ্রাম চর্বি, ৫.১গ্রাম শর্করা, ৪.৮গ্রাম খাদ্য আঁশ, ২৪ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম,০.২মিলিগ্রাম আয়রন,০.১৬ মিলিগ্রাম জিংক, ২৬মিলিগ্রাম ভিটামিন-এ,
০.০৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন-বি১,
০.০৪মিলিগ্রাম ভিটামিন-বি২,
৬৯.৯মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি রয়েছে।

#পরিমাণের ভিত্তিতে তুলনা করলে একই ওজনের সজিনা পাতায় কমলা লেবুর ৭ গুণ ভিটামিন-সি, দুধের ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ, গাজরের ৪ গুণ ভিটামিন-এ, কলার ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান।

#সজিনা পাতায় ৪২% আমিষ, ১২৫% ক্যালসিয়াম, ৬১% ম্যাগনোসিয়াম, ৪১% পটাশিয়াম, ৭১% লৌহ, ২৭২% ভিটামিন-এ এবং ২২% ভিটামিন-সি সহ দেহের আবশ্যকীয় বহু পুষ্টি উপাদান থাকে।

#এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে।
#দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।

সজিনার বিভিন্ন ঔষধি গুণাগুণ:
#শরীরের কোনো স্থানে ব্যথা হলে বা ফুলে গেলে সজিনার শিকড়ের প্রলেপ দিলে ব্যথা ও ফোলা সেরে যায়।
#সজিনার শিকড়ের রস কানে দিলে কানের ব্যথা সেরে যায়।
#সজিনার আঠা দুধের সাথে খেলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। আঠা কপালে মালিশ করলে মাথা ব্যথা সেরে যায়।
#সজিনার আঠার প্রলেপ দিলে ফোঁড়া সেরে যায়।
# সজিনা ফুলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মূত্রপাথরি দূর হয়।
#ফুলের রস হাঁপানি রোগের বিশেষ উপকারী।
#সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়।
#সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়।
#পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাদায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়।
#সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে।
#সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।
#সজিনা ফুল দুধের সাথে রান্না করে নিয়মিত খেলে কামশক্তির বৃদ্ধি ঘটে। এর চাটনি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
# সজিনার ফল নিয়মিত রান্না করে খেলে গেঁটে বাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
#সজিনার কচি ফল ক্রিমিনাশক, লিভার ও প্লীহাদোষ নিবারক, প্যারালাইসিস ও টিটেনাস রোগে হিতকর।
#সজিনার বীজের তেল মালিশ করলে বিভিন্ন বাত বেদনা, অবসতা, সায়াটিকা, বোধহীনতা ও চর্মরোগ দূর হয়।
#পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়।
#পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়।
#ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী।
#সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে।
#সজিনা বিভিন্ন ধরনের ইন্টেস্টাইন ও প্রোস্টেট সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।
#শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে।

লেখক-
কৃষিবিদ মোঃ সেরাজুল ইসলাম সাজু,
আইপিএম স্পেশালিষ্ট,
পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্প,
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা -১২১৫.
ই-মেইল : sazuahmed44@yahoo.com

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments

কর্ণফুলী উপজেলায় উপসহকারী কৃষি অফিসার উত্তম রায় বিশ্বাস করোনায় আক্রান্ত

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com