ফল-ফসলের যাকাত বা উশর আদায় করা ফরয

শনিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১০:৪৩ অপরাহ্ণ | 1189 বার

ফল-ফসলের যাকাত বা উশর আদায় করা ফরয
ফল-ফসলের যাকাত বা উশর আদায় করা ফরয

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। পাশাপাশি ৯০% মুসলিম অধ্যুষিত একটি দেশ। জীবন-জীবিকার তাগিদে কৃষক যমীনে ফসল ফলায়। অন্য দিকে ফসলের ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্ভাবিত হচ্ছে নিত্য-নতুন কৃষি কৌশল ও কৃষিযন্ত্র। এর মাধ্যমে হয়তো বা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু স্থায়ীত্ব লাভ করেনি ও মানুষের একান্ত যে পরিতৃপ্তি বা প্রশান্তি তার নাগালও মানুষ লাভ করতে পারেনি।

এর একমাত্র কারণ হচ্ছে কৃষকরা ফসলের যাকাত (যাকে ইসলামের পরিভাষায় উশর বলে) আদায় করে না। প্রতিবার ফসল উঠলে কৃষকের উচিত ফসলের যাকাত বা উশর আদায় করা।

এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক নির্দেশ প্রদান করেন-
ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺃَﻧﺸَﺄَ ﺟَﻨَّﺎﺕٍ ﻣَّﻌْﺮُﻭﺷَﺎﺕٍ ﻭَﻏَﻴْﺮَ ﻣَﻌْﺮُﻭﺷَﺎﺕٍ ﻭَﺍﻟﻨَّﺨْﻞَ ﻭَﺍﻟﺰَّﺭْﻉَ ﻣُﺨْﺘَﻠِﻔًﺎ ﺃُﻛُﻠُﻪُ ﻭَﺍﻟﺰَّﻳْﺘُﻮﻥَ ﻭَﺍﻟﺮُّﻣَّﺎﻥَ ﻣُﺘَﺸَﺎﺑِﻬًﺎ ﻭَﻏَﻴْﺮَ ﻣُﺘَﺸَﺎﺑِﻪٍ ﻛُﻠُﻮﺍ ﻣِﻦ ﺛَﻤَﺮِﻩِ ﺇِﺫَﺍ ﺃَﺛْﻤَﺮَ ﻭَﺁﺗُﻮﺍ ﺣَﻘَّﻪُ ﻳَﻮْﻡَ ﺣَﺼَﺎﺩِﻩِ ۖ ﻭَﻟَﺎ ُﺴْﺮِﻓُﻮﺍ ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟْﻤُﺴْﺮِﻓِﻴﻦَ ﴿١٤١ ﴾
অর্থ : “তিনিই উদ্যানসমূহ সৃষ্টি করেছে, তাও যা মাচার উপর তুলে দেয়া হয়, এবং যা মাচার উপর তোলা হয় না এবং খর্জুর বৃক্ষ ও শস্যক্ষেত্র যেসবের স্বাদবিশিষ্ট এবং যয়তুন ও আনার (ডালিম) সৃষ্টি করেছেন, একে অন্যের সাদৃশ্যশীল এবং সাদৃশ্যহীন। এগুলোর ফল খাও, যখন ফলবান হয় এবং হক্ব আদায় কর কর্তনের সময়ে এবং অপব্যয় করো না। নিশ্চয়ই তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না।” (সূরা আন‘আম : ১৪১)

আর হাদীছ শরীফে উশরের পরিমাপ বিষয়ে বলা হয়েছে-
ﻋَﻦْ ﺣَﻀْﺮَﺕْ ﺑُﺴْﺮِ ﺑْﻦِ ﺳَﻌِﻴﺪٍ ﺭَﺿِﻰَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺗَﻌَﺎﻟٰﻰ ﻋَﻨْﻪُ ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮْﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ ﻓِﻴﻤَﺎ ﺳَﻘَﺖِ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﺀُ ﻭَﺍﻟْﻌُﻴُﻮﻥُ ﻭَﺍﻟْﺒَﻌْﻞِ ﺍﻟْﻌُﺸْﺮُ ﻭَﻓِﻴﻤَﺎ ﺳُﻘِﻲَ ﺑِﺎﻟﻨَّﻀْﺢِ ﻧِﺼْﻒُ ﺍﻟْﻌُﺸْﺮِ .
অর্থ : “হযরত বুশর ইবনে সাঈদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, বৃষ্টির পানি, প্রবাহিত ঝর্ণার পানি বা মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা থেকে (কোন সেচ ব্যবস্থা ছাড়া) বিনা পরিশ্রমে যে ফল বা ফসলাদি উৎপাদিত হয়, সে ফল ও ফসলের এক দশমাংশ (১০ ভাগের এক ভাগ বা ১০%) যাকাত হিসেবে প্রদান করতে হবে। আর সেচের মাধ্যমে যে ফল বা ফসল উৎপন্ন হয় তা থেকে এক-দশমাংশের অর্ধেক (২০ ভাগের এক ভাগ বা ৫%) যাকাত প্রদান করতে হবে।” (মুয়াত্তা মালিক)

শব্দগত কিছু পার্থক্যসহ অন্যান্য রেওয়াতেও হাদীছ শরীফখানা বর্ণিত রয়েছে।
সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা হতে বুঝা গেল যে, উশর আদায়ের নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। যতোবারই ফসল উৎপন্ন হবে ততোবারই ফসলের উশর দেয়া ফরয। যমীনে উৎপন্ন যাবতীয় ফসলেরই উশর অথবা নিছফু উশর দিতে হবে। চাই দীর্ঘস্থায়ী শস্য হোক, চাই ক্ষণস্থায়ী শস্য অর্থাৎ শাক-সবজি হোক। ফল বা ফসল উৎপাদন কম-বেশি যাই হোক উশর আদায় করতে হবে। আর যে বা যারা ফসলের মালিক হবে সে বা তারাই উশর প্রদান করতে হবে।

কর ও খাজনা প্রদানকৃত যমীনের ফসলেও উশর আদায় করতে হবে। কেননা কর ও খাজনা দেয়া হয় সরকারি খাতে জমি জরিপ ও দেখাশুনা করার জন্য। অনেক জমিতে ফসল না হলেও খাজনা দিতে হয়। আবার পূর্ব যামানায় জমিতে খাজনাও দিতে হতো না। অতএব, কর ও খাজনা প্রদানকৃত যমীনের ফসলেরও উশর আদায় করতে হবে।

যাকাত বা উশরের বিধান পূর্ববর্তী উম্মতের জন্যও নির্ধারিত ছিল। যেমন পবিত্র কুরআন শরীফে উল্লেখ রয়েছে-
ﻭَﺇِﺫْ ﺃَﺧَﺬْﻧَﺎ ﻣِﻴﺜَﺎﻕَ ﺑَﻨِﻲ ﺇِﺳْﺮَﺍﺋِﻴﻞَ ﻟَﺎ ﺗَﻌْﺒُﺪُﻭﻥَ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺑِﺎﻟْﻮَﺍﻟِﺪَﻳْﻦِ ﺇِﺣْﺴَﺎﻧًﺎ ﻭَﺫِﻱ ﺍﻟْﻘُﺮْﺑَﻰٰ ﻭَﺍﻟْﻴَﺘَﺎﻣَﻰٰ ﻭَﺍﻟْﻤَﺴَﺎﻛِﻴﻦِ ﻭَﻗُﻮﻟُﻮﺍ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ ﺣُﺴْﻨًﺎ ﻭَﺃَﻗِﻴﻤُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠَﺎﺓَ ﻭَﺁﺗُﻮﺍ ﺍﻟﺰَّﻛَﺎﺓَ
অর্থ : “যখন আমি বনী ইসরাইলদের অঙ্গীকার গ্রহণ করলাম, তোমরা মহান আল্লাহ পাক ব্যতীত কারও ইবাদত করবে না এবং পিতা-মাতা, আত্মীয়, ইয়াতীম ও মিসকীনদের প্রতি ইহসান করবে, আর মানুষকে ভাল কথার উপদেশ দিবে এবং নামায কায়িম করবে, আর যাকাত আদায় করবে।” (সূরা বাক্বারা : ৮৩)

উশর আদায় প্রসঙ্গে পূর্ববর্তী (বণী ইসরাঈল) যামানার একটি ঘটনা পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে। তা হলো, “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, এক ব্যক্তি এক মাঠে অবস্থান করছিলেন। এমন সময় তিনি মেঘের মধ্যে এক শব্দ শুনতে পেলেন যে, অমুকের বাগানে পানি দাও। অতঃপর মেঘমালা সেই দিকে ধাবিত হলো এবং এক প্রস্তরময় স্থানে পানি বর্ষণ করলো। তখন দেখা গেলো, সেখানকার নালাসমূহের এক নালা সমস্ত পানি নিজের মধ্যে ভর্তি করে নিলো। তখন সে ব্যক্তি পানির অনুসরণ করলেন এবং দেখলেন যে, এক ব্যক্তি উনার বাগানে দাঁড়িয়ে সেচুনী দ্বারা পানি সেচতেছেন। তখন তিনি উনাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে মহান আল্লাহ তায়ালার বান্দা! আপনার নাম কি? তিনি বললেন, আমার নাম অমুক- যে নাম তিনি মেঘের মধ্যে শুনেছিলেন সে নাম। তখন এ ব্যক্তি বললেন, হে মহান আল্লাহ তায়ালার বান্দা! আপনি কেন আমাকে আমার নাম জিজ্ঞাসা করলেন? তিনি বললেন, যেই মেঘের এই পানি সেই মেঘের মধ্যে আমি একটি শব্দ শুনেছি। আপনার নাম নিয়ে বলা হয়েছে যে, অমুকের বাগানে পানি দাও। (তিনি আরো বললেন, হে মহান আল্লাহ তায়ালার বান্দা!) আপনি ফসলের দ্বারা কি কি কাজ করেন। তিনি উত্তরে বললেন, যখন আপনি জানতে চাইলেন তখন শুনুন, এই জমিতে যা ফলে তা আমি ৩ ভাগ করি। ১ ভাগ দান করি, ১ ভাগ আমি ও আমার পরিবারের খাবারের জন্য রাখি এবং অপর ভাগ ফসল উৎপাদনের জন্য লাগিয়ে থাকি। (মুসলিম শরীফ)

সুতরাং কেউ যদি তার যমীন থেকে উৎপাদিত ফসল ও ফল-ফলাদির যথাযথ হক্ব আদায় করে অর্থাৎ উশর আদায় করে তাহলে মহান আল্লাহ পাক কুদরতীভাবেই তার ফসলের হিফাযত করবেন এবং তার ফসলে বরকত দান করবেন। তার ফসল কখনো নষ্ট হবে না। সুবহানাল্লাহ!

কিন্তু আমরা বছরের পর বছর ধরে ফসলের উশর আদায় না করে নিম্নোক্ত ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছি-
১. মাল-সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে : হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
ﻗَﺎﻝَ ﺣَﻀْﺮَﺕْ ﻋُﻤَﺮُ ﺭَﺿِﻰَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺗَﻌَﺎﻟٰﻰ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣَﺎ ﺗَﻠَﻒَ ﻣَﺎﻝٌ ﻓِـﻰْ ﺑَﺮٍّ ﻭَﻟَﺎ ﺑَﺤْﺮٍ ﺍِﻟَّﺎ ﺑِﺤَﺒْﺲِ ﺍﻟﺰَّﻛَﺎﺓِ .
অর্থ : “হযরত উমর ফারূক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, স্থলে এবং পানিতে যেখানেই কোন সম্পদ ধ্বংস হয়, তা হয় কেবল যাকাত আদায় না করার কারণে।” (তবারানী শরীফ)
“উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম বলেন,
ﻋَﻦْ ﺍُﻡُّ ﺍﻟْـﻤُﺆْﻣِﻨِﻴْﻦَ ﺣَﻀْﺮَﺕْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺻِﺪِّﻳْﻖَ ﻋَﻠَﻴْﻬَﺎ ﺍﻟﺴَّﻠَﺎﻡُ ﻗَﺎﻟَﺖْ ﺳَـﻤِﻌْﺖُ ﺭَﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮْﻝُ ﻣَﺎ ﺧَﺎﻟَﻄَﺖِ ﺍﻟﺰَّﻛٰﻮﺓُ ﻣَﺎﻟًﺎ ﻗَﻂُّ ﺍِﻟَّﺎ ﺃﻫَﻠَﻜَﺘْﻪُ .
অর্থ : “হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমি বলতে শুনেছি, যে মাল-সম্পদে যাকাত মিশ্রিত হবে নিশ্চয়ই তাকে ধ্বংস করে দিবে।” (বুখারী শরীফ)

২. হারাম মিশ্রিত হচ্ছে ফলে ইবাদত-দোয়া কবুল হচ্ছে না: যাকাত-ফিতরা, উশর না দিলে সমস্ত মাল-সম্পদে হারাম মিশ্রিত হয়ে যায়। খাওয়া-খাদ্য হারাম হয়ে যায়। যেমন: ১ গ্লাস পানিতে ১ ফোটা মল-মূত্র পড়লে সমস্ত পানি নাপাক হয়ে যায়।
হাদীছ শরীফ – “যে ব্যক্তি যাকাত প্রদান করে না, তার নামায কবুল হয় না।” (আততারগীব ওয়াত তারহীব, তাফসীরে কুরতবী, রুহুল মায়ানী, তাফসীরে খযীন ও বাগবী শরীফ)।

জাহান্নামী হতে হবে:
ﻻَﻳَﺪْﺧُﻞُ ﺍﻟْـﺠَﻨَّﺔَ ﺟَﺴَﺪُ ﻏُﺬِﻯَ ﺑﺎِﻟْـﺤَﺮَﺍﻡُ
অর্থ : “ওই দেহ বা শরীর বেহেশতে প্রবেশ করবে না, যা হারাম খাদ্য দ্বারা গঠিত।” (শুআবুল ঈমান মিশকাত শরীফ)

৩. মহান আল্লাহ পাকের অসন্তুষ্টির পাত্রে পরিণত হচ্ছে: হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন,
ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺍُﻣِﺮْﺕُ ﺍَﻥْ ﺍُﻗَﺎﺗِﻞَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱَ ﺣَﺘّٰﻰ ﻳَﺸْﻬَﺪُﻭْﺍ ﺍَﻥْ ﻟَّﺎ ﺍِﻟٰﻪَ ﺍِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠﻪُ ﻭَﺍَﻥَّ ﻣُـﺤَﻤَّﺪًﺍ ﺭَّﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﻳُﻘِﻴْﻤُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠٰﻮﺓَ ﻭَﻳُﺆْﺗُﻮﺍ ﺍﻟﺰَّﻛٰﻮﺓَ .
অর্থ : “মহান আল্লাহ পাকের তরফ থেকে আমি আদিষ্ট হয়েছি, ঐ সমস্ত মানুষের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করার জন্য, তাদেরকে কতল করে দেয়ার জন্য, যারা এটা স্বাক্ষ্য দিবেনা যে, মহান আল্লাহ পাক একমাত্র ইলাহ এবং হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাবীব এবং রসূল; এবং নামায কায়িম করবে না এবং যাকাত আদায় করবে না। (মিশকাত শরীফ)

ফলে যাকাত-উশর যে বা যারা আদায় করবে না তারা দুনিয়া ও আখিরাতে পরিপূর্ণ হালাক বা ধ্বংস হয়ে যাবে।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments

কৃষি মন্ত্রনালয়ে ১১-২০তম গ্রেডে বিভিন্ন পদে নিয়োগ
শম্ভুগঞ্জ এর মোমেনশাহী এটিআই এ প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ১০৮১ জন নিয়োগ
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com