বিদেশ ফেরত আরিফের ভাগ্য খুলেছে পোল্ট্রি খামারে

মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ | ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ | 389 বার

বিদেশ ফেরত আরিফের ভাগ্য খুলেছে পোল্ট্রি খামারে

পোল্ট্রি খামার করে জেলা জুড়ে খামারীরা যখন লছের পথে, সেখানে এই খামার করেই অনেকটা লাভের মুখ দেখছেন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গড়পাড়া গ্রামের বিদেশ ফেরত প্রবাসী যুবক আরিফুল ইসলাম আরিফ। পোল্ট্রি খামারের মধ্য দিয়ে মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি পুঁজি করে নিয়েছেন প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

বেকারত্বের চাপ দুর করতে ২০০৮ সালে বিদেশে পাড়ি দেয় আরিফ। সেখানে দীর্ঘ ৬ বছর থাকার পর আর্থিক সচ্ছলতা আনতে না পারায় দেশে এসে সখের বসে বাড়ির ছাদে কয়েকটি বয়লার মুরগির বাচ্চা পালন করে। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ১০ হাজার টাকা লাভ পেয়ে খামার করার আগ্রহ বেড়ে যায় আরিফের।

এরপর ধীরে ধীরে বাচ্চার সংখ্যা বাড়াতে থাকে। বর্তমানে আরিফের ৫৩ শতাংশ জমিতে একটি বিশাল আকাঁরের বয়লার মুরগির খামার রয়েছে। তিনি খামারটির নামকরণ করেন ইফরান পোল্ট্রি ফার্ম। খামার পরিচর্যার জন্য এলাকার ৮/১০ জন বেকার যুবককে ৭ হাজার টাকা মাসিক বেতনে কাজও দিয়েছেন আরিফ।

তার খামারে মাংসের উপযোগী প্রায় ১৫ হাজার মুরগি রয়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন পাইকাররা আরিফের ফার্ম থেকে মুরগি নিয়ে যাচ্ছে। শুধু মাত্র মুরগি বিক্রি করে আরিফ এখন প্রতি মাসে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা আয় করছেন।আরিফুল ইসলাম আরিফ জানান, বেকারত্বের চাপ দুর করতে বিদেশে পাড়ি দেই। দীর্ঘ দিন বিদেশে কাজ করেও আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল হতে পারিনি।

এর পর দেশে এসে সখের বসে কয়েকটি বয়লার মুরগির বাচ্চা পালন শুরু করি। ভাবতে পারিনি যে এতো অল্প সময়ে এই মুরগি পালনে এতোটাই লাভজনক হবে। এরপর আর বসে না থেকে কিছু জমি লিজ নিয়ে খামার গড়ে তুলি। বিভিন্ন ফার্ম থেকে বয়লারের বাচ্চা ও খাবার সংগ্রহ করে এই ব্যবসা শুরু করি। আমার খামারের মুরগির চাহিদা অনেক।

বিভিন্ন দুর দুরান্ত থেকে পাইকাররা এসে নগদ টাকায় মুরগি নিয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত পরিচর্যা করলে বয়লার মুরগির তেমন কোন রোগবালাইয়ে আক্রান্ত হয় না। বেকার যুবকরা চাকরীর পিছনে না ঘুরে আমার মতো পোল্ট্রি খামার করে খুব অল্প সময়ে নিজেদের বেকারত্ব দুর করতে পারে। এছাড়া খামার করলে মাংসের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি এলাকার অনেকের কর্মসংস্থানও করা যায়।

পলাশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জানান, লেয়ার মুরগি পালনের চেয়ে বয়লার মুরগি পালন অনেকটা সহজ। এটি খুব অল্প সময়ে লাভজনক হয়ে উঠে। সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠে। সঠিক সময়ে বাচ্চা মুরগির জন্য গামবোর ও রানিক্ষেত রোগের ভ্যাক্সিন দিলে আর কোন ক্ষতির সম্ভবনা থাকে না।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments

কৃষি মন্ত্রনালয়ে ১১-২০তম গ্রেডে বিভিন্ন পদে নিয়োগ
শম্ভুগঞ্জ এর মোমেনশাহী এটিআই এ প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ১০৮১ জন নিয়োগ
জনি হোসেন কাব্য’র সমকালীন ছড়া
কৃষি মন্ত্রনালয়ে ১১-২০তম গ্রেডে বিভিন্ন পদে নিয়োগ
শম্ভুগঞ্জ এর মোমেনশাহী এটিআই এ প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ১০৮১ জন নিয়োগ
অভিনন্দনে সিক্ত অতনু

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com