জৈন্তাপুরে সূর্যমুখীর চাষে বিপুল লাভের সম্ভাবনা

শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১ | ১০:৩৫ অপরাহ্ণ | 116 বার

জৈন্তাপুরে সূর্যমুখীর চাষে বিপুল লাভের সম্ভাবনা

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি সিলেটের জৈন্তাপুরকে এবার আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তুলেছে সারি সারি সূর্যমুখী ফুলের বাগান। জৈন্তাপুর  অনেক শিক্ষিত তরুণদের প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে এসব বাগান। এসব সূর্যমুখীর প্রদর্শনী প্লটে বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে কৃষকগণ সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। সরকারিভাবে কৃষকদের সহযোগিতাও করা হচ্ছে। কৃষি খাতে সূর্যমুখী চাষে বিপ্লব ঘটবে বলে উপজেলা কৃষি অফিস আশা করছে। সূর্যমুখী চাষ করে অনেক লাভবান হবেন বলে কৃষকরাও আশাবাদী।

এদিকে, প্রতিদিন বিকেলে হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করেন স্থান গুলোতে ৷ লোক সমাগম হয় দেখার মতো। কেউ ছবি তুলছে কেউবা পরিবার পরিজন নিয়ে সময় কাটাচ্ছে। সূর্যমুখী ফুলের এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যগুলোর দেখা মেলে সিলেটের জৈন্তাপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে। এসব বাগানে দুপুরের পর থেকেই  বাড়তে শুরু করে লোক সমাগম। দূর দূরান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে আসেন সূর্যমুখীর অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

webnewsdesign.com

জৈন্তাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা করা পর্যটকরা বলেন সূর্যমুখী ফুলের বাগানগুলো খুবই সুন্দর। ভালো লেগেছে আমাদের। এত গুলো সূর্যমুখীর বাগান দেশের আর কোথাও নেই। এটা দেখে মনে হয়, হলুদের রাজ্য।

জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় গড়ে উঠেছে এসব বাগান। উপজেলা কৃষি অফিসার ফারুক আহমেদ বলেন, এবার মোট পঁচিশ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।  সূর্যমুখী বীজ একটি লাভজনক শস্য। তাছাড়া সূর্যমুখী তেলের নানাবিধ স্বাস্থ্যগত গুনাগুন রয়েছে। সূর্যমুখী তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ জনপ্রিয় করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করা হচ্ছে।

কৃষকদের প্রশিক্ষণ, বীজসহ নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের বিনামূল্যে সূর্যমুখীর বীজ, সার ও আন্ত-পরিচর্যার জন্য উপকরণ ও অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আগামীতে তা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোন প্রকার ক্ষতি না হয় তাহলে প্রতি বিঘা জমিতে ৮ থেকে ১০ মন সূর্যমূখী ফুলের বীজ পাওয়া যাবে। ১ মন বীজ থেকে ১৮ কেজি তেল পাওয়া যাবে। সূর্যমুখী চাষের ফলে অনেকের আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সূর্যমুখীর বীজ ও তেল বিক্রি করে কৃষকেরা লাভবান হবেন এই  প্রত্যাশা।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com