নন ক্যাডার লিখিত পরীক্ষার পরামর্শ (সুপার টেকনিক)

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ ২০২২ | ১১:৩৪ অপরাহ্ণ | 214 বার

নন ক্যাডার লিখিত পরীক্ষার পরামর্শ (সুপার টেকনিক)
আমার অভিজ্ঞতায় মনে করি দুটো ভুলের কারণে অনেকেই লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয় ।
১।পাশের শর্ত সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকা।
২। সময়ের অপচয়ের কারণে জানা উত্তর ছেড়ে আসা।
সময় বাঁচানোর কৌশলঃ
ধরি, প্রশ্নপত্রে
১। বাংলাদেশের রাজধানীর নাম কী?
২। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা কোনটি? ওই জেলা জাতীয় সংসদের কততম আসন? তারামন বিবির মুক্তিযুদ্ধের খেতাব কী?
বেশিরভাগ যেভাবে উত্তর করে,
০১ নং প্রশ্নের উত্তর ( পারলে এটাকে আন্ডার লাইন করে),
বাংলাদেশের রাজধানী হলো ঢাকা।
২। উত্তরঃ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
ওই জেলা জাতীয় সংসদের ০১ নং আসন।
তারামন বিবির মুক্তিযুদ্ধের খেতাব হলো বীরপ্রতীক।
উত্তরপত্রে সব সময় মূল কথাটা লিখতে হবে। উত্তরপত্রে যা লেখা হয়, সবই উত্তর। তাই ‘নং প্রশ্নের উত্তর’ বা ‘উত্তর’ লেখা সময়ের অপচয়।
উত্তরপত্রে “বাংলাদেশের রাজধানী হলো”, ‘বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা”, “ওই জেলা জাতীয় সংসদের”, “তারামন বিবির মুক্তিযুদ্ধের খেতাব হলো” প্রভৃতি লেখাও সময়ের অপচয়।
এবার সময় বাঁচানোর কৌশল খেয়াল করুন। আমি যেভাবে পরীক্ষায় উত্তর করিঃ
১। ঢাকা।
২। জেলাঃ পঞ্চগড়।
আসনঃ ০১ নং।
খেতাবঃ বীরপ্রতীক।
উদাহরণ থেকে লক্ষ্য করুন,
প্রথম এর মতো উত্তর করতে গেলে প্রায় ২ মিনিট সময় লাগবে আর দ্বিতীয়বারের মতো উত্তর করতে গেলে সময় লাগবে ৩০ সেকেন্ড এর মতো। অর্থাৎ দুটো উত্তরই ১.৫ মিনিটের মতো সময় বাঁচবে। এভাবে বাংলা, ইংরেজি ও ডিপার্টমেন্ট অংশও উত্তর করতে হবে। ফলে ৫০ টির মত প্রশ্নের উত্তরে প্রায় ৩০-৪০ মিনিট সময় বাঁচানো যাবে।
একাডেমিকসহ যেকোন চাকুরি পরীক্ষায় উপরের কৌশলে উত্তর করলে পূর্ণ মার্কস পাওয়া যাবে।
আমি নিজেই উপরোক্ত কৌশল প্রয়োগ করে বিপিএসসি এর নন-ক্যাডারের ৪ টা লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ২০০ মানই উত্তর ( যদিও সব সঠিক হয় না) করি এবং ৪ টা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।
আল্লাহ আমাদের সহায় হোন!

লেখকঃ মোঃ দেলওয়ার হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), গণপূর্ত অধিদপ্তর।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments

webnewsdesign.com

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com