আলোক ফাঁদ : পোকা দমনে কৃষকের বন্ধু

বৃহস্পতিবার, ০৪ নভেম্বর ২০২১ | ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ | 174 বার

আলোক ফাঁদ : পোকা দমনে কৃষকের বন্ধু

Warning: Use of undefined constant linklove - assumed 'linklove' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/chasrhxr/public_html/wp-content/plugins/facebook-comments-plugin/class-frontend.php on line 99

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে আমনখেতের ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দমন করছেন কৃষকেরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় কৃষকেরা খেতে এ আলোক ফাঁদ স্থাপন করেছেন। এতে কমছে কীটনাশকের ব্যবহার। বাড়ছে ফলন। পাওয়া যাচ্ছে নিরাপদ ফসল।

 

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কৃষকের মধ্যে দিন দিন এ আলোক ফাঁদ ব্যবহারে আগ্রহ বাড়ছে। এ পদ্ধতিতে খেতের পোকামাকড় দমনসহ ধানে ক্ষতিকর কী কী পোকা আক্রমণ করে সেটি জানা যায়। এ ছাড়া সেটি পর্যবেক্ষণ ও শনাক্ত করা যায়।

webnewsdesign.com

চকরিয়া উপজেলা ১৮টি ও একটি পৌরসভায় ৫৫টি ব্লকে এ আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। ধান পাকা পর্যন্ত খেতে এই আলোকফাঁদ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তারা।

সরেজমিনে ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের আমনখেতে দেখা যায়, খেতের আইলে তিনটি খুঁটি বসানো হয়েছে। এর ওপর বৈদ্যুতিক বাতি ঝোলানো। বাতির নিচে একটি পানিভর্তি পাত্রে ডিটারজেন্ট পাউডার মিশ্রিত পানি রাখা। রাতে আলো জ্বালানোর পর ক্ষতিকর পোকা এসে পানিতে পড়ে মারা যাচ্ছে। এভাবে কৃষকেরা আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে ফসলি জমিতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি জানতে পারছেন।

উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চকরিয়া উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষে ৫৫টি ব্লকে ৩৮৫টি আলোকফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। পোকামাকড়ের উপস্থিতি শনাক্ত ও দমন করতে আলোক ফাঁদ ব্যবহারে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।

হারবাং ইউনিয়নের কমরমুহুরীপাড়া গ্রামের কৃষক নেজাম উদ্দীন বলেন, ‘আলোক ফাঁদ খুব সহজ পদ্ধতি। এতে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। এর মাধ্যমে কৃষকেরা খুব সহজেই খেতের পোকামাকড় চিহ্নিত করে নিধন করতে পারেন। এতে খরচ অনেক কমে এসেছে।’

উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার তাসনিম আলম মুন্না বলেন, ‘ইতোমধ্যে কিছু ইউনিয়নে আগাম ধান কাটা শুরু। বেশির ভাগ ইউনিয়ন ধানের শিষ বের হয়েছে। শিষ বের হওয়ার পর কিছু ক্ষতিকর ঘাসফড়িং জাত ও মাজরাসহ কয়েক প্রজাতির পোকা খেতে আক্রমণ করে। মূলত ক্ষতিকর পোকা উপস্থিতি নির্ণয় করতে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতি ধান কাটা পর্যন্ত চলবে।’

চকরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার এস এম নাসিম হোসেন বলেন, ‘উপজেলার ৫৫টি ব্লকে কৃষকেরা আলোকফাঁদ ব্যবহার করছেন। এটি পরিবেশবান্ধব। এ পদ্ধতিতে খুব সহজেই খেতের পোকামাকড় শনাক্ত ও দমন করা যায়।

  • আজকের পত্রিকার সৌজন্যে।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments