পানিকচুর চাষাবাদ পদ্ধতি

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ | 1837 বার

পানিকচুর চাষাবাদ পদ্ধতি

Warning: Use of undefined constant linklove - assumed 'linklove' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/chasrhxr/public_html/wp-content/plugins/facebook-comments-plugin/class-frontend.php on line 99

পুষ্টিকর ও সুস্বাদু সবজি হিসেবে কচু অন্যতম।এতে প্রচুর শ্বেতসার, ক্যালসিয়াম,লৌহ,ফসফরাস,ভিটামিন এ ও সি আছে।জাতবেদে কচু চাষে ১৮০-২০০ দিন লাগে।গড় ফলন ২৫/৩৫ টন।

যেভাবে চাষ করবেনঃ
মাটিঃ পলি দোঁআশ ও এটেল মাটি কচু চাষের উপযোগী।
সময়ঃআগাম ফসলের জন্য কার্তিক মাসে(মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বর), নাবী ফসলের জন্য মধ্য বৈশাখ(মার্চ-এপ্রিল),তবে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদের জন্য অগ্রহায়ন-পৌষ মাস(ডিসেম্বর-জানুয়ারী)চারা রোপনের উপযুক্ত সময়।

webnewsdesign.com

রোপন পদ্ধতিঃ কচু চাষে প্রতি শতকে ১৫০ টি চারা প্রয়োজন। রোপন দূরত্ব সারি থেকে সারি ৬০ সেঃমিঃ এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৪৫ সেঃমিঃ।
সারের মাত্রাঃপ্রতি শতাংশে
গোবর ৬০ কেজি,
ইউরিয়া ৬০০ গ্রাম
টিএসপি ৫০০ গ্রাম
এম ও পি ৭০০ গ্রাম
জিপসাম ৪০০ গ্রাম।

সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ কম্পোস্ট,টিএসপি,জিপসাম এবং অর্ধেক এমওপি সার জমি তৈরির সময় শেষ চাষের আগে প্রয়োগ করতে হবে।চারা রোপনের ১.৫-২ মাস পর বাকি অর্ধেক এম ও পি এবং ইউরিয়ার ৬ ভাগের ১ ভাগ ছিটিয়ে দিতে হবে।বাকি ৫ ভাগ ইউরিয়া ১৫ দিন পর পর সমান হারে ছিটিয়ে দিতে হবে।

পরিচর্যাঃ কচুর গোড়ায় ৮-১০ সেঃমিঃ এর বেশি পানি রাখা যাবেনা।দাড়ানো পানি মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিতে হবে।

আগাছা দমনঃতিন মাস পর্যন্ত আগাছা জন্মাতে পারে।তাই সর্বদা আগাছা মুক্ত রাখা উচিত।

প্রিয় পাঠক কচু চাষে রোগবালাই ও পোকামাকড় নিয়ে ২য় অংশে আলোচনা করা হবে।

লেখকঃ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Powered by Facebook Comments