প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার চালু করতে যাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’। মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১২ লাখ কৃষক এ সুবিধার আওতায় আসবেন।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতারা সুদসহ সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ সুবিধা পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কৃষিখাতে সুদসহ বকেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।
কী সুবিধা মিলবে?
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও কৃষিঋণের সুবিধা সরাসরি কৃষকের ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবা অ্যাকাউন্টে যাবে। এছাড়া ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার-বীজ সহজপ্রাপ্তি, কৃষিঋণ ব্যবস্থাপনা সহজীকরণ এবং আবহাওয়া ও বাজারদর সংক্রান্ত এসএমএস আপডেট পাওয়া যাবে।
নিবন্ধন করবেন যেভাবে
ইউনিয়ন পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে অথবা নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে নিবন্ধন করা যাবে। প্রয়োজন হবে:
- এনআইডির কপি
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- মোবাইল নম্বর
- জমির দলিল বা চাষের প্রমাণপত্র
- ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট নম্বর
সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কৃষক কার্ড বিনা মূল্যে প্রদান করা হবে। কার্ড পেতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ লেনদেন না করার জন্য কৃষকদের সতর্ক করা হয়েছে।

