ক্ষতির ধরণঃ
ধানের বীজতলা ও মূল জমিতে বাকানি রোগের লক্ষণ দেখা যায়। এটি একটি বীজবাহিত রোগ। আক্রান্ত চারা বা গাছ লম্বা হয়ে যায়। কখনও আক্রান্ত গাছের চারা সুস্থ গাছের চেয়ে দ্বিগুণ পর্যন্ত লম্বা হয়ে যায়। অন্যান্য গাছের উপর দিয়ে লিকলিকে ফ্যাকাশে সবুজ পাতা দেখা যায়।
পর্বসন্ধিতে অস্থানিক শিকড় গজায়। আক্রান্ত গাছ যদি কোনো রকমে বাঁচে তবে সেগুলোর ধান চিটা হয়। ইউরিয়া (নাইট্রোজেন) সারের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি তাপমাত্রা এরোগের অনুক‚ল পরিবেশ সৃষ্টি করে।
দমন ব্যবস্থাপণাঃ
- স্বাস্থ্যসম্মত ও রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার।
- পরিমিত মাত্রায় ইউরিয়া সার ব্যবহার।
- আক্রান্ত গাছ সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলা।
- আগাছা ও খড়কুটো পুড়িয়ে ফেলা।
- রোগমুক্ত এলাকা হতে বীজ সংগ্রহ করা।
- কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের যেমন এগ্রিজিম অথবা কিউবি অথবা নোইন, ৩ গ্রাম ছত্রাকনাশক ১ লিটার পানিতে ভালভাবে মিশিয়ে তার মধ্যে ১ কেজি বীজ ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে বীজ বা চারা শোধন করতে হবে।
- বীজতলা সবসময় পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা।
- একই জতিতে বার বার বীজতলা না করা।

